জাতিসংঘের বিবৃতিতে সরকারের আপত্তি

প্রকাশিত: ১০:৫৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০২৪

 

 

বাংলাদেশ টাইমস প্রতিবেদক

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিএনপির ধ্বংসের বিবরণ ভয়াবহ এবং ওএইচসিএইচআনকে এ বিষয়ে বারবার বিএনপির দেশব্যাপী মারপিটের প্রমাণ সরবরাহ করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, দেশকে অস্থিতিশীল করা এবং এর গণতান্ত্রিক যাত্রাকে ব্যাহত করার লক্ষ্যে হুমকি, বাধা এবং সহিংসতার মধ্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা সত্যিই একটি চ্যালেঞ্জ ছিল।

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এত ব্যাপক সহিংসতা সত্ত্বেও, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের প্রতিক্রিয়া ছিল সংযত, যৌক্তিক এবং আইনি আওতার মধ্যে। নির্বিচারে ও গণগ্রেপ্তার, হুমকি, গুম, আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের দ্বারা হয়রানি ও নজরদারির মতো প্রতিশোধের যে অভিযোগ ওএইচসিএইচআর তুলেছে সেগুলো ভিত্তিহীন ও অপ্রমাণিত।

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের সংখ্যা নিছক অতিরঞ্জন। যারা সহিংসতা ও বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত বা উসকানি দিয়েছিল তাদের বিরুদ্ধেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনের শাসন বজায় রাখতে এবং সব নাগরিকের অধিকার রক্ষার জন্য এই ব্যবস্থাগুলো প্রয়োজনীয় ছিল।

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অনেক মানবাধিকার কর্মীকে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য করা হয়েছে, কেউ কেউ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, যখন কয়েক ডজন সন্দেহভাজন গুমের তথ্য পাওয়া গেছে এবং সেগুলোর বেশিরভাগই নভেম্বরে’- ওএইচসিএইচআরের এমন দাবি সরকার প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার মনে করে, ওই দাবি বাস্তবতাবিবর্জিত ও ওএইচসিএইচআরের দায়িত্বহীনতার সরল উদাহরণ। বিবৃতি দেওয়ার ওএইচসিএইচআরের তা যাচাই করা উচিত ছিল বলে সরকার মনে করে।

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সংবিধানের চেতনা এবং এর আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে এবং একটি প্রগতিশীল সমাজের জন্য জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপলব্ধি করার জন্য জনগণের ম্যান্ডেট দ্বারা বাংলাদেশ পরিচালিত হবে। বাংলাদেশ গঠণমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানায়। যেকোনো বৈধ উদ্বেগের সমাধান করতে বাংলাদেশ সবসময় প্রস্তুত। বাংলাদেশ জাতিসংঘ এবং এর মানবাধিকার কাঠামোর সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।